বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছিল, কিন্তু বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম ছিল বিদেশি — বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের প্রয়োজন বুঝত না, পেমেন্টে ঝামেলা ছিল, বাংলায় কোনো সাপোর্ট ছিল না। সেই শূন্যতা পূরণ করতেই a111-এর সূচনা।
আমাদের প্রতিষ্ঠাতা দলটি বাংলাদেশের বেটিং সংস্কৃতি গভীরভাবে বোঝেন। ক্রিকেটের প্রতি মানুষের আবেগ, ঈদের সময় বিশেষ উত্তেজনা, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের উপর নির্ভরতা — এসব বাস্তবতা মাথায় রেখে a111 ডিজাইন করা হয়েছে। এটা শুধু একটি প্রযুক্তি প্রকল্প নয়, এটা বাংলাদেশের বেটারদের জন্য তৈরি একটি সম্পূর্ণ ইকোসিস্টেম।
"আমরা চেয়েছিলাম এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে যেখানে একজন সাধারণ বাংলাদেশি ব্যবহারকারী কোনো ভাষার বাধা ছাড়াই, কোনো পেমেন্টের ঝামেলা ছাড়াই, পুরোপুরি নিশ্চিন্তে খেলতে পারবেন।"
বাংলাদেশের জন্য, বাংলাদেশ দিয়ে
a111-এ প্রথম থেকেই সিদ্ধান্ত ছিল — Mobile Pay, Nagad আর রকেটের মাধ্যমে পেমেন্ট হবে। কারণ বাংলাদেশে বেশিরভাগ মানুষ এই পরিচিত পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করেন। আন্তর্জাতিক কার্ড বা ক্রিপ্টোর ঝামেলায় না গিয়ে নিজেদের পরিচিত মোবাইল ওয়ালেট দিয়েই সব করা যায় এখানে।
একইভাবে কাস্টমার সাপোর্ট পুরোপুরি বাংলায়। রাত তিনটায় কোনো সমস্যা হলে বাংলায় লাইভ চ্যাটে কথা বলা যাবে — ইংরেজিতে কঠিন শব্দ লিখে কাউকে বোঝানোর দরকার নেই। এই ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোই a111-কে অন্যদের থেকে আলাদা করে।
ক্রিকেট থেকে ক্যাসিনো — সব এক জায়গায়
বাংলাদেশে ক্রিকেট মানে শুধু খেলা নয় — এটা একটি আবেগ। বিপিএল হোক বা বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যাচ, a111-এ সবচেয়ে আপডেটেড অড্স পাওয়া যায়। পাশাপাশি লাইভ ক্যাসিনোতে বাকারাট, ব্ল্যাকজ্যাক, টিন পাতি — যে গেম পছন্দ সেটাই আছে।
স্লট গেমের ক্ষেত্রেও শত শত বিকল্প — দেশীয় থিম থেকে আন্তর্জাতিক জনপ্রিয় গেম। নতুন গেম নিয়মিত যোগ হয় এবং প্রতিটিতে ডেমো মোড থাকে যাতে বিনামূল্যে অভ্যাস করা যায়।